প্রসঙ্গ লোগো – “ইউএক্স এর সাথে লোগোর সম্পর্ক”

December 5, 2014

আমার এক স্টুডেন্ট তার ব্যাবসার জন্য অনেকদিন ধরে একটি নাম খুজছিল। একটি নাম ঠিক করে আমাকে বলছিল, ম্যাম দেখুনতো এই নামটি ইউএক্স এর দৃষ্টিকোণ থেকে ঠিক আছে কিনা? প্রশ্নটি শুনে আমি ওর দিকে প্রথমে একটু তাকিয়ে থাকলাম। প্রশ্নটি আমার কাছে নতুন, কিন্তু কিছুক্ষণ পর মনে হল এটা অবান্তর নয়।

আমার ক্রিয়েটিভ এবং ভিজুয়াল ডিজাইন ক্লাসে এমন অনেক কিছুই আলোচনা করা হয় যা ইউএক্স এর সাথে সম্পর্কিত। হয়ত সেখান থেকেই তার এমন ভাবনাটির সুত্রপাত হয়েছে। লোগো এর সাথে ইউএক্স এর সম্পর্ক কি হতে পারে এটা নিয়ে একটু ব্রেইন স্টর্মিং করা যাক।

আমরা স্কবাই জানি যে কোন বিজনেজ শুরু করার সময় ব্র্যান্ডিং এর বিষয়টি আগে নিয়ে প্রপার প্লান করা উচিৎ। প্ল্যানিং এর ম্যাপিং টা স্কেচ দিয়ে শুরু হয়। কিন্তু তার আগে বিজনেজ টা কি নিয়ে, কারা এর ইউজার, কি হতে পারে এর থিম, কেমন হওয়া উচিৎ ব্রান্ডিং এবং প্রমোশন ইত্যাদি চিন্তাভাবনাগুলো আগেই করে নেয়া ভালো। সুতরাং, ইউএক্স এর শুরু সেই অর্থে প্ল্যানিং এর সময়ই শুরু হয়ে যায়্র। তাহলে লোগোটা দিয়ে বিজনেজ এর যে প্রথম এবং ইম্পরট্যান্ট ধাপটা আমরা স্টার্ট করি, সেখানে নামকরণ অবশ্যই ইউএক্স এর একটি অংশ হতে পারে। কেননা, নাম এর সাথে তার ডিজাইন, টাইপগ্রাফি, কালার, শেপ, সাইজ, কন্ট্রাস্ট এবং পুরো থিমটা কেমন  হবে এখানেই অনেক কিছুর একটি সুন্দর সমাধান আমরা পেয়ে যাই। বিশদভাবে বলতে গেলে, একটি ভালো লোগোর উপর নির্ভর করে একটি প্রোডাক্ট এর জনপ্রিয় হয়ে ওঠা।

এর পেছনে আরও অনেক কিছু কাজ করে যেমন – ইউজার এবং জায়গা বুঝে ডিজাইনের সঠিক প্রয়োগ, মার্কেটিং এবং প্রমশান এর সময় লোগো নিয়ে খেলতে পারাটা নির্ভর করে লোগোর ডিজাইন, ফন্ট আর কালার এর উপর। এছাড়া, ওয়েবসাইট এর ডিজাইন এর সময় লোগোর উপর অনেক কিছু নির্ভর করে। তাই স্ট্যান্ডার্ড একটি লোগো যে কোন ব্যাবসা বা পণ্যের জন্য অত্যন্ত জরুরী একটি উপাদান। একটি লোগোর উপর পুরো ব্রান্ডিংটা যেখানে নির্ভর করছে সেখানে লোগোর নামকরণও অবশ্যই বিশেষভাবে ভুমিকা পালন করে। অতএব ইউএক্সের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করে বলাই যায় লোগো একটি অত্যন্ত গুরুত্বপুর্ন অংশ যার নামকরণ এর সাথে ইউএক্স এর নিবিড় সম্পর্ক আছে।

-নিলীম আহসান, ২০১৪